ঘুষ গ্রহণের ছবি–ভিডিও প্রকাশের পর তদন্ত কমিটি গঠন - কমিটির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ।
চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেন ও তার ঘুষের দোকান এর ক্যসিয়ার
দৈনিক মজুরি ভিত্তিক কর্মচারী (ঝাড়ুদার) আবদুল আহাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য দিবালোকে অফিস সহকারীর চেয়ারে বসে ঘুষ গ্রহণের ছবি ও ভিডিও বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন জেলা রেজিস্ট্রার।
জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ উপজেলার গাছবাড়িয়া সাব-রেজিস্ট্রার সিং মং থোয়াইকে।
তবে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, গাছবাড়িয়া সাব-রেজিস্ট্রার সিং মং থোয়াই আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেন ও ঝাড়ুদার আবদুল আহাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ গ্রহণ করে তদন্তে আবদুল আহাদের পক্ষে প্রতিবেদন দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন—এমন তথ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দৈনিক মজুরি ভিত্তিক ঝাড়ুদার আবদুল আহাদের প্রকাশ্য ঘুষ গ্রহণের ছবি ও ভিডিও প্রমাণ হিসেবে থাকলেও রহস্যজনক কারণে তদন্তের গতিপথ ভিন্ন দিকে নেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা গাছবাড়িয়া সাব-রেজিস্ট্রার সিং মং থোয়াইয়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এদিকে, সচেতন মহল মনে করছেন, এমন স্পর্শকাতর দুর্নীতির ঘটনায় তদন্তের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সচেতন নাগরিক নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছে।
ভাতের হোটেলের কর্মচারী থেকে এখন আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কোটিপতি ঝাড়ুদার আহাদ।
আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার অফিস-ঝাড়ুদার আহাদের নিয়ন্ত্রণে- জিম্মি অফিস স্টাফ সহ সেবাগ্রহীতার।
আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রারের নামে অফিস সহকারীর চেয়ারে বসে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায় করছেন ঝাড়ুদার আহাদ -
দৈনিক ভিত্তিক ঝাড়ুদারের ৩ লাখ টাকার বাইক.
আলীশান বাড়ি নির্মাণ.
নামে বেনামে বেনামে জমি, ব্যবসা, অটোসিএনজি ক্রয়.
দৈনিক আয় ঘুষের ১ লাখে ২০ হাজার.
অফিস সহকারীর চেয়ারে বসে প্রতিদিন সাব রেজিস্ট্রার জুবাইরের ঘুষের দোকানে প্রকাশ্যে ঘুষের টাকা আদায়.
মোটা অংকের টাকায় বালাম বই জালিয়াতি,কাটা ছেড়া বা ঘষা মাজা,জমির মালিকানা পরিবর্তন,দলিল জালিয়াতি,জমির শ্রেণী পরিবর্তন.
সাব রেজিস্ট্রারের নির্দেশে দৈনিক ভিত্তিক ঝাড়ুদার আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রারের ঘুষের দোকানে অফিস সহকারীর চেয়ারে বসে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায় করেন কোটিপতি ঝাড়ুদার আহাদ।
যে কেউ আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার অফিসে গেলে দেখতে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায়ের দৃশ্য।
ঝাড়ুদার আহাদের সমম্বয়ে একটি দূর্নীতিবাজ চক্র সাধারণ সেবা গ্রহীতাদের জিম্মি করে রেখেছে ।
উপজেলার সবচেয়ে দূর্নীতিগ্রস্থ অফিস হিসেবে সাব-রেজিস্ট্রার অফিস পরিচিতি লাভ করে চললেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর রহস্যজনক কারণে নিরব রয়েছে।
একজন ভাতের হোটেলের কর্মচারী থেকে এখন তিনি আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কোটিপতি ঝাড়ুদার আহাদ।
৭০ টাকা দৈনিক ভিত্তিক চাকুরী শুরু করলে এখন সে কোটিপতি ঝাড়ুদার।
তার সাথে বনিবনা না হলে কোন কোন রেজিস্ট্রারি করেন না সাব রেজিস্ট্রার।
দলিল অনুযায়ী ঘুষের অংক ঠিক করেন ঝাড়ুদার আহাদ।
সাব রেজিস্ট্রার এর ভাগ বুঝিয়ে দিয়ে বাকীটা নিজে রেখে দেন। ( লাখে ২০ হাজার) ভাগের টাকায় এখন সে কোটিপতি।
দৈনিক ঘুষের দোকান আনুমানিক আয় প্রায় ৩ লাখ টাকা।
আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের দৈনিক ভিত্তিক ঝাড়ুদার আহাদের নিয়ন্ত্রণে- জিম্মি অফিস স্টাফ সহ সেবাগ্রহীতার।
ঝাড়ুদার আহাদ ৩ লাখ টাকার বাইক চালিয়ে আসেন অফিসে,
ঘুষের টাকায় নির্মাণ করেছেন আলিশান বাড়ি।
নামে বেনামে রয়েছে একাধিক জমি,ব্যবসা, অটোরিকশা ও ব্যাংকে এফডিয়ার।
মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বালাম বই জালিয়াতি, কাটা ছেড়া বা ঘষা মাজা, জমির মালিকানা পরিবর্তন, দলিল জালিয়াতি, জমির শ্রেণী পরিবর্তন করেন আহাদ।
দৈনিক ৫০০ টাকায় নিযোগ দিয়েছেন তার ব্যাক্তিগত সহকারি
রাতে সাব রেজিস্ট্রার অফিসে থাকার জন্য নাইটগার্ড নিয়োগ দিয়েছেন ২০০ টাকা বেতনে
(মুসলিম হোটেলের কর্মচারী) অনিল ও সাব রেজিস্ট্রার অফিসের পাশের বিন্ডিং এর দারোয়ান ফরিদ। ২ জনেই পালা করে থাকে।
নাইট গার্ড হিসাবে রাত্রি যাপন করে। এদের সাব রেজিস্ট্রার অফিসের বালাম বইয়ের রুমের চাবি সহ সকল রুমের চাবি থাকে।
যে কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্গটনা এর দায়বার নিবে কে?
আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমির রেকর্ড করতে অতিরিক্ত ঘুষ আদায়, দলিলের নকল তুলতে এবং দলিল তল্লাশি করতেও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে দৈনিক ভিত্তিক ঝাড়ুদার আহাদের বিরুদ্ধে।
সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ভেতরে এবং বাইরের দালালদের সমন্বয়ে একটি সিন্ডিকেট করে দীর্ঘদিন ধরে এই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে ঝাড়ুদার আহাদ।
এদিকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, ঝাড়ুদার আহাদ বিভিন্ন দলিল থেকে সরকারি রেজিস্ট্রেশন এবং আনুষঙ্গিক খরচসহ ১০ শতাংশ অর্থ আদায় করে দলিল গ্রহীতাদের কাছ থেকে।
নিরীহ জনগণ নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন এবং লক্ষ লক্ষ টাকা অতিরিক্ত আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
দলিলের কমিশনে যেয়ে আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের ঝাড়ুদার আহাদ দাতা-গ্রহিতাদের ভয়ভীতি দেখিয়েও মোটা অংকের টাকা আদায় করে থাকে। কেউ টাকা দিতে অস্বীকার করলেই দলিল রেজিস্ট্রি বন্ধ রাখার অভিযোগ রয়েছে ঝাড়ুদার আহাদের বিরুদ্ধে।
সাব-রেজিস্ট্রার জুবায়ের হোসেনের নির্দেশে ঝাড়ুদার আহাদ ঘুষের টাকা, সরকারি ফ্রি আদায়, রেকর্ড রুমের তত্ত্বাবধান সহ সব লেনদেন করেন অফিস সহকারীর চেয়ারে বসেই।
দৈনিক ভিত্তিক ঝাড়ুদার আহাদের নিয়ন্ত্রণে আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার অফিস.
আনোয়ারা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সরকারি দায়িত্বে থেকেও প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও প্রমাণ সামনে এসেছে — যেখানে সাব-রেজিস্ট্রার মোঃ জুবায়ের হোসেন ও তার কর্মচারী আবদুল আহাদ (‘ঝাড়ুদার’ নামে পরিচিত) নাগরিকদের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন।
এই ছবি ও ভিডিও প্রমাণ অনুযায়ী, অফিসের প্রধান কর্মকর্তা নিজে না বসে তার কর্মচারীকে বসিয়ে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায় করছেন — যা সরকারি নীতি, সংবিধান ও নৈতিকতার পরিপূর্ণ লঙ্ঘন।