• বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
Headline
এই মাসে ৫কোটি টাকা চাঁদা আদায় বাকলিয়া থানা ওসি সোলেমানের বিরুদ্ধে। ডজন মামলার পলাতক সন্ত্রাসী সোলাইমান: কর্ণফুলীর বালুমহলের অঘোষিত সম্রাট – বাকলিয়া থানার ওসি সোলেমান নিয়ন্ত্রণ করছে অবৈধ বালু ব্যবসা। ডা: কামরুন নাহার দস্তগীরকে চট্টগ্রাম থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চায় চট্টগ্রামবাসী. ভাতের হোটেলের কর্মচারী থেকে এখন আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কোটিপতি ঝাড়ুদার আহাদ। ঘুষ গ্রহণের ছবি–ভিডিও প্রকাশের পর তদন্ত কমিটি গঠন – কমিটির বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ। আনোয়ারায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ‘ঘুষের কারখানা’: অফিস সহকারীর চেয়ারে বসে ঝাড়ুদার আহাদের প্রকাশ্য ঘুষ গ্রহণ – সাব রেজিস্ট্রার জুবাইর এর কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি.। মুনীর চৌধুরী প্রাইভেট ডিটেকটিভ লি:দেশে অপরাধ ও দুর্নীতি দমনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। প্রধানমন্ত্রীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ সিলেট টু ম্যানচেষ্টার ফ্লাইট বন্ধের সিন্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিতে বৃটেনের নিউপোর্ট শহরে সভা অনুষ্ঠিত. বাংলাদেশে বিরোধীদলীয় ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের ঘোষণা: সংসদীয় গণতন্ত্রে নতুন অধ্যায়।

ডজন মামলার পলাতক সন্ত্রাসী সোলাইমান: কর্ণফুলীর বালুমহলের অঘোষিত সম্রাট – বাকলিয়া থানার ওসি সোলেমান নিয়ন্ত্রণ করছে অবৈধ বালু ব্যবসা।

Reporter Name / ২১ Time View
Update : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬

ডজন মামলার পলাতক সন্ত্রাসী সোলাইমান: কর্ণফুলীর বালুমহলের অঘোষিত সম্রাট – বাকলিয়া থানার ওসি সোলেমান নিয়ন্ত্রণ করছে অবৈধ বালু ব্যবসা।

কোনোভাবেই কর্ণফুলী নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছে না।
প্রতিদিন প্রতিটি পয়েন্টে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকার বালু পাচারের মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন বাণিজ্য হচ্ছে কয়েক কোটি টাকা।

কর্ণফুলী নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
বালু উত্তোলনের ফলে বিলীন হচ্ছে আশ-পাশের বসতবাড়ি ও ফসলি জমি।
ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ। হারিয়ে যাচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য।

কর্নফুলী ব্রীজ সোলমানের অবৈধ বালু সেইল সেন্টারে ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নগরীর বিভিন্ন জায়গায়।
টোকেনে চলে বালুবাহী গাড়ি: কর্ণফুলী নদীর বালুর ভালো চাহিদা রয়েছে। বোয়ালখালী ছাড়াও পটিয়া, আনোয়ারা, চন্দনাইশসহ বিভিন্ন উপজেলা এবং নগরের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হয়। অন্তত ৫ শতাধিক ট্রাক ও ডাম্পার বালু পরিবহন করে।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে নির্বিঘেœ চলাচল করছে এসব যানবাহন। ট্রাক ও ডাম্পারগুলোকে প্রতি মাসে দুই হাজার টাকার বিনিময়ে পুলিশ থেকে টোকেন নিতে হয়।

কোনোভাবেই কর্ণফুলী নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছে না।

প্রতিদিন প্রতিটি পয়েন্টে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকার বালু পাচারের মাধ্যমে বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন বাণিজ্য হচ্ছে কয়েক কোটি টাকা।

কর্ণফুলী নদী থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।
বালু উত্তোলনের ফলে বিলীন হচ্ছে আশ-পাশের বসতবাড়ি ও ফসলি জমি।
ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ। হারিয়ে যাচ্ছে পরিবেশের ভারসাম্য।

২৮।০২।২০২৬ইং রাত ১০টায় কর্নফুলী ব্রীজ ডজন মামলার পলাতক সন্ত্রাসী সোলাইমান: কর্ণফুলীর বালুমহলের অঘোষিত সম্রাট….
সোলমানের অবৈধ বালু সেইল সেন্টারে ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে ট্রাকে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নগরীর বিভিন্ন জায়গায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category