• রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৭ অপরাহ্ন
Headline
বাংলাদেশে প্রাইভেট ডিটেকটিভ কার্যক্রমে নতুন দিগন্ত: মুনীর চৌধুরী প্রাইভেট ডিটেকটিভ লিমিটেড আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে রিহ্যাব নির্বাচনে ‘কালক্ষেপণ’: নূর উদ্দিনকে বিজয়ী ঘোষণায় গড়িমসি, কমিশনের রহস্যজনক ভূমিকা। সেবা নিতে এসে কেউ ফিরে না খালি হাতে : ডিসি জাহিদ এর দরবারে। কোট অব আর্মস-এর ঊর্ধ্বে আত্মা: প্রিন্স পাওলো ডি বুরবোঁ রিবেজ্জি এবং হৃদয়ের উত্তরাধিকার — অরলান্ডো সিমিয়েলে হাইকোর্টের আদেশে রিহ্যাব নির্বাচনে মোর্শেদুল হাসানের প্রার্থিতা বাতিল; নূর উদ্দিনকে বিজয়ী ঘোষণার দাবি রিহ্যাব নির্বাচনে মোর্শেদুল হাসানের প্রার্থীতা বাতিল-ভাইস প্রেসিডেন্ট (চট্টগ্রাম) পদে একক প্রার্থী নূর উদ্দিন বিপিসিতে বড় রদবদল: একযোগে ৭ শীর্ষ কর্মকর্তার বদলি জনসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত: চকবাজার থানার ওসি বাবুল আজাদ ১৮ নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে জনসমর্থনে এগিয়ে হাজী মোহাম্মদ মুসা অশুভ বিনাশী সুন্দর আগামীর প্রত্যাশায় দেশবাসীকে মুনীর চৌধুরীর নববর্ষের শুভেচ্ছা

জেলা রেজিস্ট্রার জামিলুর রহমান এর দুর্নীতি ও ঘুষের হাটে প্রকাশ্যে চলছে লাখ লাখ টাকার ঘুষের লেনদেন – দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রার অফিস.

Reporter Name / ৮২৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

জেলা রেজিস্ট্রার জামিলুর রহমান এর দুর্নীতি ও ঘুষের হাটে প্রকাশ্যে চলছে লাখ লাখ টাকার ঘুষের লেনদেন – দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রার অফিস.

নিজস্ব প্রতিবেদক-
চট্টগ্রামের সদর সাব রেজিষ্ট্রী অফিস যেন ঘুষের হাট, জেলা রেজিস্ট্রার জামিলুর রহমান এর দুর্নীতি ও অনিয়মে
চট্টগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রার অফিস ও
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। সরকারি এই কার্যালয়টি ঘুষ, অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে— এমন পরিচিতিই ছড়িয়েছে জেলার সবখানে।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, সরকার ডিজিটাল প্রযুক্তি চালুর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রাম সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থান এর বিপরীতে।
ফলে প্রকাশ্যে চলছে লাখ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেন।
ভুক্তভোগীসহ সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অনিয়ম-দুর্নীতির পেছনে রয়েছেন জেলা রেজিস্ট্রার খন্দকার জামিলুর রহমান।
বর্তমানে দূর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রার অফিস। জমি রেজিষ্ট্রেশন করাতে অত্র অফিসের একটি কমিশন-বানিজ্য ওপেনসিক্রেট।
এছাড়া নিয়োগ ও বদলি বানিজ্যতো আছেই।
অনুসন্ধানে জানা যায়, একেকটি বদলিতে ৫ থেকে ৭ লাখ আর নিয়োগে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ নেয় জেলা রেজিস্ট্রার। চট্টগ্রাম নগর ও জেলায় প্রায় ৩২০ জন কাজী ( মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার) রয়েছে, এদের নিয়ে জেলা রেজিষ্ট্রেশন অফিসের রয়েছে বিশাল বানিজ্য। নগর ও জেলার ডজনেরও বেশি নিকাহ রেজিস্ট্রার বা কাজীর সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বছরে দুইবার অডিটের নামে পাঁচ হাজার করে দিতে হয় জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে, ইনডেন্ট অর্থ্যাৎ কাজীদের প্রয়োজনীয় সরকারি ফরম ও বিবিধ কাগজ পত্র পাওয়ার আবেদন। ব্যাংক চালানের মাধ্যমে সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও নগদ বীনা রশিদে গুনতে হয় ৫ -৬ হাজার টাকা। হিসাব মতে শুধু কাজীদের হতে বছরে অবৈধ আয় প্রায় অর্ধ কোটি টাকা।

চট্টগ্রামের সদর সাব রেজিষ্ট্রী অফিস যেন ঘুষের হাট। টাকা ছাড়া সেবা মেলে না।
দলিল রেজিস্ট্রি থেকে শুরু করে নকল তোলা, দানপত্র, বণ্টননামা ও চুক্তিপত্রের মতো দলিল সম্পাদনে সরকারি ফি ছাড়াও গুনতে হয় বাড়তি অর্থ। কর্মকর্তাদের দুর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতায় অসহায় সাধারণ মানুষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category