• বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন
Headline
ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া পরিচালক মুনীর চৌধুরী চ্যানেল এস এর আবাসিক সম্পাদক মনোনীত। চান্দগাঁওয়ে মৌরশী সম্পত্তি দখল রোধে ওসি জাহিদুল কবিরের তৎপরতা: এসআই’র ভূমিকা প্রশংসনীয় চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি গোলাম সারোয়ার—মানবিকতা, সাহস ও বুদ্ধিমত্তার উজ্জ্বল আলোকবিন্দু, যিনি যেখানে যান সেখানেই রেখে যান সাফল্যের স্বাক্ষর চাটগাঁইয়া ওরশ বিরিয়ানি এন্ড মেজবানির শুভ উদ্বোধন আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রারের ঘুষের দোকানে অফিস সহকারীর চেয়ারে বসে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায় করেন কোটিপতি ঝাড়ুদার আহাদ জনগণের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ ও প্রত্যাশিত সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান – ডিসি জাহিদুল ইসলাম বৃটিশ আইন আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় স্বাধীনতার ৫৪ বছরে ও ভূমি সেবা পরাধীন-জমির জটিলতায় পিষ্ট জনগন- সংস্কার কমিশন সুপারিশ “একক ভূমি ব‍্যবস্থাপনা” বাস্তবায়ন করা হোক। সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাপ্রধানকে “সেনাবাহিনী পদক’ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক ইসমাইল ইমনকে হুমকির প্রতিবাদ সিআরএফের চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার দায়িত্ব গ্রহণ.

জেলা রেজিস্ট্রার জামিলুর রহমান এর দুর্নীতি ও ঘুষের হাটে প্রকাশ্যে চলছে লাখ লাখ টাকার ঘুষের লেনদেন – দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রার অফিস.

Reporter Name / ৪০৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

জেলা রেজিস্ট্রার জামিলুর রহমান এর দুর্নীতি ও ঘুষের হাটে প্রকাশ্যে চলছে লাখ লাখ টাকার ঘুষের লেনদেন – দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রার অফিস.

নিজস্ব প্রতিবেদক-
চট্টগ্রামের সদর সাব রেজিষ্ট্রী অফিস যেন ঘুষের হাট, জেলা রেজিস্ট্রার জামিলুর রহমান এর দুর্নীতি ও অনিয়মে
চট্টগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রার অফিস ও
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। সরকারি এই কার্যালয়টি ঘুষ, অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে— এমন পরিচিতিই ছড়িয়েছে জেলার সবখানে।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, সরকার ডিজিটাল প্রযুক্তি চালুর মাধ্যমে দেশের প্রতিটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসকে দুর্নীতিমুক্ত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রাম সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবস্থান এর বিপরীতে।
ফলে প্রকাশ্যে চলছে লাখ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেন।
ভুক্তভোগীসহ সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অনিয়ম-দুর্নীতির পেছনে রয়েছেন জেলা রেজিস্ট্রার খন্দকার জামিলুর রহমান।
বর্তমানে দূর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা রেজিস্ট্রার অফিস। জমি রেজিষ্ট্রেশন করাতে অত্র অফিসের একটি কমিশন-বানিজ্য ওপেনসিক্রেট।
এছাড়া নিয়োগ ও বদলি বানিজ্যতো আছেই।
অনুসন্ধানে জানা যায়, একেকটি বদলিতে ৫ থেকে ৭ লাখ আর নিয়োগে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ নেয় জেলা রেজিস্ট্রার। চট্টগ্রাম নগর ও জেলায় প্রায় ৩২০ জন কাজী ( মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার) রয়েছে, এদের নিয়ে জেলা রেজিষ্ট্রেশন অফিসের রয়েছে বিশাল বানিজ্য। নগর ও জেলার ডজনেরও বেশি নিকাহ রেজিস্ট্রার বা কাজীর সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বছরে দুইবার অডিটের নামে পাঁচ হাজার করে দিতে হয় জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে, ইনডেন্ট অর্থ্যাৎ কাজীদের প্রয়োজনীয় সরকারি ফরম ও বিবিধ কাগজ পত্র পাওয়ার আবেদন। ব্যাংক চালানের মাধ্যমে সরকারি ফি জমা দেওয়ার পরও নগদ বীনা রশিদে গুনতে হয় ৫ -৬ হাজার টাকা। হিসাব মতে শুধু কাজীদের হতে বছরে অবৈধ আয় প্রায় অর্ধ কোটি টাকা।

চট্টগ্রামের সদর সাব রেজিষ্ট্রী অফিস যেন ঘুষের হাট। টাকা ছাড়া সেবা মেলে না।
দলিল রেজিস্ট্রি থেকে শুরু করে নকল তোলা, দানপত্র, বণ্টননামা ও চুক্তিপত্রের মতো দলিল সম্পাদনে সরকারি ফি ছাড়াও গুনতে হয় বাড়তি অর্থ। কর্মকর্তাদের দুর্নীতি ও সেচ্ছাচারিতায় অসহায় সাধারণ মানুষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category