আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার অফিসে অফিস সহকারীর চেয়ারে বসে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায় করেন কোটিপতি ঝাড়ুদার আহাদ এটি প্রতিদিনের কর্মকান্ড।
যে কেউ আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার অফিসে গেলে দেখতে প্রকাশ্যে ঘুষ আদায়ের দৃশ্য।
জুবাইর হোসেন আনোয়ারায় সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগদানের পর প্রকাশ্যে ঘুষের দোকান চালু করেন আর এই ঘুষের দোকানের ক্যাসিয়ার হিসাবে দৈনিক ভিত্তিক ঝাড়ুদার আহাদ কে দায়িত্ব দেন।
একজন ভাতের হোটেলের কর্মচারী থেকে এখন তিনি আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের কোটিপতি ঝাড়ুদার আহাদ।
৭০ টাকা দৈনিক ভিত্তিক চাকুরী শুরু করলে এখন সে কোটিপতি ঝাড়ুদার।
তার সাথে বনিবনা না হলে কোন কোন রেজিস্ট্রারি করেন না সাব রেজিস্ট্রার।
দলিল অনুযায়ী ঘুষের অংক ঠিক করেন ঝাড়ুদার আহাদ।
সাব রেজিস্ট্রার এর ভাগ বুঝিয়ে দিয়ে বাকীটা নিজে রেখে দেন। ( লাখে ২০ হাজার) ভাগের টাকায় এখন সে কোটিপতি।
দৈনিক ঘুষের দোকান আনুমানিক আয় প্রায় ৩ লাখ টাকা।
আনোয়ারা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের দৈনিক ভিত্তিক ঝাড়ুদার আহাদের নিয়ন্ত্রণে- জিম্মি অফিস স্টাফ সহ সেবাগ্রহীতার।
ঝাড়ুদার আহাদ ৩ লাখ টাকার বাইক চালিয়ে আসেন অফিসে, ঘুষের টাকায় নির্মাণ করেছেন আলিশান বাড়ি।
নামে বেনামে রয়েছে একাধিক জমি,ব্যবসা, অটোরিকশা ও ব্যাংকে এফডিয়ার।
মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বালাম বই জালিয়াতি, কাটা ছেড়া বা ঘষা মাজা, জমির মালিকানা পরিবর্তন, দলিল জালিয়াতি, জমির শ্রেণী পরিবর্তন করেন আহাদ।
দৈনিক ৫০০ টাকায় নিযোগ দিয়েছেন তার ব্যাক্তিগত সহকারি।
রাতে সাব রেজিস্ট্রার অফিসে থাকার জন্য নাইটগার্ড নিয়োগ দিয়েছেন ২০০ টাকা বেতনে
(মুসলিম হোটেলের কর্মচারী)।