• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১০:১০ অপরাহ্ন
Headline
সাহস আর সততার অনন্য দৃষ্টান্ত: বদলে গেছে কোতোয়ালি থানার চেনা চিত্র!একজন ওসির সদিচ্ছাই যথেষ্ট: সব থানা কি পারবে কোতোয়ালির পথ অনুসরণ করতে? রামিশা হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে ইপিজেড মোড়ে মানববন্ধন ২০ লাখ টাকার জয়েনিং, পরে আরও ৩০ লাখ টাকার চুক্তি?”বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনে ডিএলও পদে মোঃ নিয়াজ মোর্শেদের নিয়োগ নিয়ে নানা প্রশ্ন চট্টগ্রামে রেলের জমিতে দখল সাম্রাজ্য:রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এবং প্রশাসনের নীরবতায় বেহাত হচ্ছে হাজার কোটি টাকার সরকারি সম্পত্তি।” রাষ্ট্রীয় জ্বালানি খাতের অভিভাবক বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন বিপিসিতে সাড়ে ৫০০ কোটি টাকার মহা-জালিয়াতি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা. চট্টগ্রামে চাক্তাইয়ের ৫০০ কোটি টাকার অবৈধ পলিথিন সিন্ডিকেট ভাঙার দাবিতে ‘দুর্নীতি বিরোধী সচেতনতা পরিষদ বাংলাদেশ’-এর সেমিনার ও জনসচেতনতা অনুষ্ঠান ৮ কোটি টাকায় ডিসি হওয়ার চুক্তি!চসিকের অঘোষিত সম্রাট প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তাকে শোকজ, পদকেনা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে তোলপাড় প্রশাসন. আনোয়ারা সাব-রেজিস্ট্রার জোবাইরের জালিয়াতি, সরকারি রাজস্ব ফাঁকি, জমির শ্রেণি পরিবর্তন, ও প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণ ও ঝাড়ুদার আহাদের নিয়ন্ত্রণে অফিস পুলিশের সুখ-দুঃখ- রাজনৈতিক ব্যবহারের বলি পুলিশ বাহিনী: শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজন নিরপেক্ষতা ও কাঠামোগত সংস্কার. পুলিশকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখতে হবে:নিজের ঘুমকে বিসর্জন দিয়ে যিনি অন্যের স্বপ্নকে নিরাপদ করেন-তিনি পুলিশ.

জুলাই বিপ্লবের অকুতোভয় কলম সৈনিক: মিজানুর রহমান চৌধুরীর সাহসিকতার গল্প

Reporter Name / ৭২ Time View
Update : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

জুলাই বিপ্লবের অকুতোভয় কলম সৈনিক: মিজানুর রহমান চৌধুরীর সাহসিকতার গল্প

২০২৪ সালের জুলাই। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক রক্তক্ষয়ী, অথচ গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে দাঁড়াল রাজপথ। ছাত্র-জনতার “বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন” যখন তুমুল রূপ নিল, তখন সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হলো কঠোর নিয়ন্ত্রণ। অনেক প্রভাবশালী মিডিয়া যখন সত্য বলতে দ্বিধাগ্রস্ত, ঠিক সেই মুহূর্তে ‘সময়ের সাহসী কলম সৈনিক’ হিসেবে আবির্ভূত হন সাংবাদিক ও সম্পাদক **মিজানুর রহমান চৌধুরী**। তাঁর আপোষহীন সাংবাদিকতার কারণে আজ তিনি সর্বস্তরে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে সম্মানিত।
# বিপ্লবের দিনগুলিতে অটল কণ্ঠস্বর
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পুরোটা সময় মিজানুর রহমান চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত **দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম** ও **দৈনিক আমাদের বাংলা** ছিল আন্দোলনকারীদের অন্যতম নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম । প্রশাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি মাঠপর্যায়ের প্রকৃত চিত্র এবং ছাত্র-জনতার দাবি সাহসের সঙ্গে তুলে ধরেন।
তাঁর প্রতিটি সম্পাদকীয় ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার এক শক্তিশালী হাতিয়ার। পাঠকদের মতে, যখন অনেক গণমাধ্যম নীরব ছিল, তখন তাঁর পত্রিকাগুলো সত্যের বাতিঘর হিসেবে কাজ করেছে। চট্টগ্রামের স্থানীয় পাঠকরা স্মরণ করেন, সেই সংকটময় সময়ে তাঁর পত্রিকার শিরোনামগুলোই ছিল তাদের একমাত্র ভরসা।
নেতৃত্ব ও সাংবাদিকতার দর্শন
মিজানুর রহমান চৌধুরী কেবল একজন সম্পাদক নন, তিনি **বাংলাদেশ এডিটর ফোরাম**-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি চার চারটি পত্রিকার সম্পাদনা ও প্রকাশনার গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন।
তাঁর কাছে সাংবাদিকতা মানেই হলো শোষিতের পক্ষে এবং শোষকের বিপক্ষে দাঁড়ানো। সত্য প্রকাশে কোনো চাপের কাছে তিনি কখনো নতি স্বীকার করেননি, যা তাঁকে আজকের প্রজন্মের সাংবাদিকদের কাছে এক অনন্য আইডল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
> *”সাংবাদিকতার মূল মন্ত্র হলো নিরপেক্ষতা নয়, বরং ন্যায়ের পক্ষে ন্যায়সঙ্গত অবস্থান নেওয়া।”* — মিজানুর রহমান চৌধুরী
মানবিক ও সামাজিক কারিগর
সাংবাদিকতার গণ্ডি ছাড়িয়ে তিনি এক নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক। তাঁর প্রতিষ্ঠিত মানবিক সংগঠন দেশ প্রেমিক সংগঠন **”লাভ বাংলাদেশ”**-এর মাধ্যমে তিনি অসংখ্য দুস্থ ও আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন
জুলাই বিপ্লবে সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বিভিন্ন প্রেস ক্লাব ও সামাজিক সংগঠন থেকে সম্মাননা পেয়েছেন। চট্টগ্রামের সাহসী সাংবাদিকদের তালিকায় তাঁর নাম ও অবদান আজ সর্বজনস্বীকৃত।
জুলাই বিপ্লব: একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থান ছিল আধুনিক বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ছাত্রদের কোটা সংস্কারের দাবি থেকে শুরু করে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেওয়া এই বিপ্লবে হাজারো মানুষ শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন অগণিত।
এই সময়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের চ্যালেঞ্জ ছিল অপরিসীম। অনেক সাংবাদিক ঝুঁকি নিয়ে রিপোর্টিং করেছেন, তাঁদের মধ্যে মিজানুর রহমান চৌধুরীর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য
সম্মাননা ও স্বীকৃতি
অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও
জুলাই বিপ্লবে সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ মিজানুর রহমান চৌধুরী কে রাষ্ট্রীয়ভাবে তার অবদানকে স্বীকৃতি দেয় নাই।
বিভিন্ন প্রেস ক্লাব, সাংবাদিক সংগঠন এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মাননা পেয়েছেন। অবদানকে স্বীকৃতি জানিয়েছে।
#সত্যের পথে অবিচল পদচারণা
মিজানুর রহমান চৌধুরীর জীবন ও কর্ম আমাদের শেখায় যে, সাংবাদিকতা কেবল পেশা নয়—এটি একটি মিশন। যখন সমাজ সংকটে নিপতিত, তখন সত্যের কণ্ঠস্বর হওয়াই হলো সাংবাদিকের মূল দায়িত্ব। জুলাই বিপ্লবে তাঁর ভূমিকা প্রমাণ করেছে যে, সাহসী কলম সৈনিকরাই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকেন।
> *”যে জাতি সত্যকে ভয় পায়, সে জাতি কখনো মুক্তি পায় না।”*


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা