চট্টগ্রামকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানী করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেবে ‘সচেতন চট্টলাবাসী:’বিপিসি চট্টগ্রামেই থাকবে—অর্থমন্ত্রীর আশ্বাসকে স্বাগত.
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর প্রধান কার্যালয় ঢাকা স্থানান্তরের কথিত উদ্যোগ বন্ধ এবং এটি চট্টগ্রামেই থাকবে মর্মে সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সুনির্দিষ্ট আশ্বাস ও ঘোষণাকে উষ্ণ স্বাগত জানিয়েছে ‘সচেতন চট্টলাবাসী’। তবে এই আশ্বাসের পর যেন ভবিষ্যতে কোনো কুচক্রী মহল নতুন করে চক্রান্ত করতে না পারে, সেজন্য বিষয়টি স্থায়ীভাবে নিশ্চিত করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর পূর্বঘোষিত স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে সংগঠনটি। আজ বৃহস্পতিবার সচেতন চট্টলাবাসী
আয়োজিত এক জরুরি পর্যালোচনা সভা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন সমাবেশ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই)-এর নবনির্বাচিত নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে মাননীয় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন— বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকা সরানো হবে না, এটি চট্টগ্রামেই বহাল থাকবে। সরকারের একজন শীর্ষ নীতি-নির্ধারকের এই সময়োপযোগী ও ইতিবাচক ঘোষণাকে চট্টগ্রামের আপামর জনসাধারণ সাধুবাদ জানায়।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী ইতিবাচক ঘোষণায় স্বাগত জানিয়ে “সচেতন চট্টলাবাসী’ ৭জুন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন বন্ধের ষোষণা দিয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক রাজধানীর মর্যাদা ও সুষম অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণ নীতির প্রতি সরকারের সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর, জ্বালানি তেল আমদানি, প্রধান সরবরাহ অবকাঠামো ও একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার (ইস্টার্ন রিফাইনারি) চট্টগ্রামেই অবস্থিত। তদুপরি, বিপিসি ইতিমধ্যেই চট্টগ্রামের সার্সন রোড সংলগ্ন জয়পাহাড় এলাকায় নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে দৃষ্টিনন্দন ৫ তলা প্রধান কার্যালয় ভবন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছে। এমতাবস্থায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর এই ইতিবাচক ঘোষণাকে আইনি ও প্রশাসনিকভাবে চিরস্থায়ী রূপ দিতে এবং চট্টগ্রামকে একটি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার রূপরেখা বাস্তবায়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে স্মারকলিপি পেশের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড ময়দানের জনসভায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার বিষয়ে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার জন্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার ঘোষণা ছিল।
বাণিজ্য সংক্রান্ত সরকারি বেসরকারী, সায়ত্তশাষিত প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে নিয়ে আসা উচিত। তাহলে বাণিজ্যিক রাজধানী করার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষণার বাস্তবায়ন সহজতর হবে।
ধন্যবাদান্তে-
“সচেতন চট্টলাবাসী’-এর আহ্বায়ক মুনীর চৌধুরী ও
সদস্য সচিব,
নোমান উল্লাহ বাহার।
📧 mchypd@gmail.com
🌐 https://jantechaijanatechai.com