• শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন
Headline
সৎ ও পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ: বাংলাদেশ পুলিশ এসোসিয়েশনের সভাপতি ওসি কামরুল হাসান জুয়েলকে ঘিরে বিতর্কে প্রতিবাদ ও নিন্দা চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী রক্ষার লড়াই: সাংবাদিক মুনীর চৌধুরীর একক প্রচেষ্টায় বিপিসি চট্টগ্রামেই থাকছে। দোহাজারী–কক্সবাজার রেলপথ প্রকল্পে অবদানের স্বীকৃতি: বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক সুবক্তগিনকে ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়ার সম্মাননা ও কৃতজ্ঞতা। চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: নানামুখী চ্যালেঞ্জ, রাজনৈতিক প্রভাব ও জটিলতা মোকাবিলা করে দৃশ্যমান মেগা প্রকল্প. প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান: দক্ষতা, পরিকল্পনা ও দায়িত্ববোধের এক প্রতিচ্ছবি INTERNATIONAL MEDIA. World Wide Network বন্দরের কনটেইনার টেন্ডার: মাফিয়া কোম্পানির সুবিধায় বিশেষ শর্তের দেয়াল-চট্টগ্রাম বন্দরের টেন্ডার সিন্ডিকেট ভাঙার দাবি ব্যবসায়ীদের. দুর্নীতি ও অপরাধমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে দৈনিক ১৪-১৫ ঘণ্টা স্বেচ্ছাশ্রমে সাংবাদিক মুনীর চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি চট্টগ্রামকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়নসহ ১২ দফা দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেছে ‘সচেতন চট্টলাবাসী’। চট্টগ্রামকে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানী করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দেবে ‘সচেতন চট্টলাবাসী:’বিপিসি চট্টগ্রামেই থাকবে—অর্থমন্ত্রীর আশ্বাসকে স্বাগত.

জুলাই বিপ্লবের অকুতোভয় কলম সৈনিক: মিজানুর রহমান চৌধুরীর সাহসিকতার গল্প

Reporter Name / ১১২ Time View
Update : সোমবার, ৪ মে, ২০২৬

জুলাই বিপ্লবের অকুতোভয় কলম সৈনিক: মিজানুর রহমান চৌধুরীর সাহসিকতার গল্প

২০২৪ সালের জুলাই। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক রক্তক্ষয়ী, অথচ গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে দাঁড়াল রাজপথ। ছাত্র-জনতার “বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন” যখন তুমুল রূপ নিল, তখন সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হলো কঠোর নিয়ন্ত্রণ। অনেক প্রভাবশালী মিডিয়া যখন সত্য বলতে দ্বিধাগ্রস্ত, ঠিক সেই মুহূর্তে ‘সময়ের সাহসী কলম সৈনিক’ হিসেবে আবির্ভূত হন সাংবাদিক ও সম্পাদক **মিজানুর রহমান চৌধুরী**। তাঁর আপোষহীন সাংবাদিকতার কারণে আজ তিনি সর্বস্তরে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে সম্মানিত।
# বিপ্লবের দিনগুলিতে অটল কণ্ঠস্বর
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পুরোটা সময় মিজানুর রহমান চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত **দৈনিক আমাদের চট্টগ্রাম** ও **দৈনিক আমাদের বাংলা** ছিল আন্দোলনকারীদের অন্যতম নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম । প্রশাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি মাঠপর্যায়ের প্রকৃত চিত্র এবং ছাত্র-জনতার দাবি সাহসের সঙ্গে তুলে ধরেন।
তাঁর প্রতিটি সম্পাদকীয় ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার এক শক্তিশালী হাতিয়ার। পাঠকদের মতে, যখন অনেক গণমাধ্যম নীরব ছিল, তখন তাঁর পত্রিকাগুলো সত্যের বাতিঘর হিসেবে কাজ করেছে। চট্টগ্রামের স্থানীয় পাঠকরা স্মরণ করেন, সেই সংকটময় সময়ে তাঁর পত্রিকার শিরোনামগুলোই ছিল তাদের একমাত্র ভরসা।
নেতৃত্ব ও সাংবাদিকতার দর্শন
মিজানুর রহমান চৌধুরী কেবল একজন সম্পাদক নন, তিনি **বাংলাদেশ এডিটর ফোরাম**-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি চার চারটি পত্রিকার সম্পাদনা ও প্রকাশনার গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন।
তাঁর কাছে সাংবাদিকতা মানেই হলো শোষিতের পক্ষে এবং শোষকের বিপক্ষে দাঁড়ানো। সত্য প্রকাশে কোনো চাপের কাছে তিনি কখনো নতি স্বীকার করেননি, যা তাঁকে আজকের প্রজন্মের সাংবাদিকদের কাছে এক অনন্য আইডল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
> *”সাংবাদিকতার মূল মন্ত্র হলো নিরপেক্ষতা নয়, বরং ন্যায়ের পক্ষে ন্যায়সঙ্গত অবস্থান নেওয়া।”* — মিজানুর রহমান চৌধুরী
মানবিক ও সামাজিক কারিগর
সাংবাদিকতার গণ্ডি ছাড়িয়ে তিনি এক নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক। তাঁর প্রতিষ্ঠিত মানবিক সংগঠন দেশ প্রেমিক সংগঠন **”লাভ বাংলাদেশ”**-এর মাধ্যমে তিনি অসংখ্য দুস্থ ও আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন
জুলাই বিপ্লবে সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বিভিন্ন প্রেস ক্লাব ও সামাজিক সংগঠন থেকে সম্মাননা পেয়েছেন। চট্টগ্রামের সাহসী সাংবাদিকদের তালিকায় তাঁর নাম ও অবদান আজ সর্বজনস্বীকৃত।
জুলাই বিপ্লব: একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থান ছিল আধুনিক বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ছাত্রদের কোটা সংস্কারের দাবি থেকে শুরু করে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেওয়া এই বিপ্লবে হাজারো মানুষ শহীদ হয়েছেন, আহত হয়েছেন অগণিত।
এই সময়ে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের চ্যালেঞ্জ ছিল অপরিসীম। অনেক সাংবাদিক ঝুঁকি নিয়ে রিপোর্টিং করেছেন, তাঁদের মধ্যে মিজানুর রহমান চৌধুরীর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য
সম্মাননা ও স্বীকৃতি
অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও
জুলাই বিপ্লবে সাহসিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ মিজানুর রহমান চৌধুরী কে রাষ্ট্রীয়ভাবে তার অবদানকে স্বীকৃতি দেয় নাই।
বিভিন্ন প্রেস ক্লাব, সাংবাদিক সংগঠন এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠান থেকে সম্মাননা পেয়েছেন। অবদানকে স্বীকৃতি জানিয়েছে।
#সত্যের পথে অবিচল পদচারণা
মিজানুর রহমান চৌধুরীর জীবন ও কর্ম আমাদের শেখায় যে, সাংবাদিকতা কেবল পেশা নয়—এটি একটি মিশন। যখন সমাজ সংকটে নিপতিত, তখন সত্যের কণ্ঠস্বর হওয়াই হলো সাংবাদিকের মূল দায়িত্ব। জুলাই বিপ্লবে তাঁর ভূমিকা প্রমাণ করেছে যে, সাহসী কলম সৈনিকরাই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকেন।
> *”যে জাতি সত্যকে ভয় পায়, সে জাতি কখনো মুক্তি পায় না।”*


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা