কমিশনার হাসিব আজিজের দূরদৃষ্টি ও সততার পথে—ওসি আফতাব উদ্দিনের সাফল্যের নতুন অধ্যায় বাকলিয়া থানায়-
-নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চট্টগ্রাম মহানগর—অপরাধ, রাজনীতি, বাণিজ্য, বন্দর, জনজীবন—সব মিলিয়ে এক স্পন্দনশীল অস্থিরতার শহর। এই নগরীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কোনো নিয়মতান্ত্রিক দায়িত্ব নয়; এটি কঠোর সাহস, তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, দূরদৃষ্টি ও সততার সমন্বয়ে লড়াই চালানোর এক প্রতিনিয়ত পরীক্ষা। আর এই পরীক্ষাগুলোয় যিনি স্থির, দৃঢ় ও নিখুঁত নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন—তিনি চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অভিভাবক, পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ। তার দূরদর্শী সিদ্ধান্ত আর মানবিক নেতৃত্বের উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি—অফিসার ইনচার্জ আফতাব উদ্দিন। চায়না থেকে আধুনিক পুলিশিং, প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর উচ্চতর প্রশিক্ষণ শেষে তিনি ফিরে এসেছিলেন আরও দক্ষ, আরও প্রস্তুত হয়ে। এবং সেই যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ তিনি পেয়েছেন কমিশনার হাসিব আজিজের সঠিক দিকনির্দেশনায়।
চান্দগাঁও থানায় সাফল্যের ইতিহাস
২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর কমিশনার হাসিব আজিজের নির্দেশে চান্দগাঁও থানায় ওসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আফতাব উদ্দিন। মাত্র ১১ মাসেই তিনি গড়ে তুললেন এক অসাধারণ রেকর্ড—একটানা ৬ বার ‘সেরা ওসি’। আইজিপি পদক এবং মাদার তেরেসা পদক তার সততা, দক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রতি এক বিশেষ স্বীকৃতি।
মাদক, অস্ত্র, কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস—সব কিছু নিয়ন্ত্রণে এনে তিনি চান্দগাঁওকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন নিরাপত্তার বাতাস। বন্দর থানায় দায়িত্ব—আরেক কঠিন চ্যালেঞ্জ-২০২৫ সালের আগস্টে কমিশনার সাহেবের নির্দেশে তিনি দায়িত্ব নেন বন্দর থানায়। চট্টগ্রাম বন্দরের জটিলতা, শ্রমিক রাজনীতি, অর্থনৈতিক চাপ, অপতৎপরতা—সব মিলিয়ে এটি ছিল আরও কঠিন একটি নিয়ন্ত্রণক্ষেত্র। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তিনি শুরু করেন ধারাবাহিক অভিযান—অস্ত্র উদ্ধার,সন্ত্রাসী চক্র ভাঙা,রাজনৈতিক অপতৎপরতা নিয়ন্ত্রণ, মাদক রুট বন্ধ
বন্দর এলাকায় নিরাপত্তা ছাতা শক্ত করা তিনি সাক্ষাৎকারে বলেন— “স্যারের কঠোর নির্দেশনা ও মানবিক দিকনির্দেশনাই আমাদের সাফল্যের শক্তি। স্যারই আমাদের অভিভাবক।”এই একটি বাক্যেই ফুটে ওঠে কমিশনার হাসিব আজিজের নেতৃত্বের গভীরতা।
এবার নতুন অধ্যায়—বন্দর থেকে বদলি হয়ে বাকলিয়া থানায়-আজ ৯ই নভেম্বর, কমিশনার হাসিব আজিজ তার কর্মদক্ষতা, সততা ও আধুনিক পুলিশিংয়ের সক্ষমতার প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে ওসি **আফতাব উদ্দিনকে বন্দর থানা থেকে বদলি করে নতুন দায়িত্ব দিয়েছেন চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ বাকলিয়া থানায়। এ বদলিকে অনেকে ‘ডিমোশন’ হিসেবে ভাবতে পারেন, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি কমিশনারের কৌশলগত সিদ্ধান্ত—বাকলিয়া একটি ঘনবসতিপূর্ণ, জটিল, রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল ও অপরাধপ্রবণ এলাকা। এখানে দায়িত্ব দেওয়া মানে আস্থার সর্বোচ্চ পরীক্ষা। আর সেই আস্থার নাম—আফতাব উদ্দিন।
কমিশনার হাসিব আজিজ মনে করেন—“যেখানে দক্ষতা প্রয়োজন, সেখানে দক্ষ অফিসারই লাগবে। শহরের শান্তি নিশ্চিত করতে প্রতিটি থানায় সঠিক নেতৃত্বই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।” বাকলিয়া থানার মতো চ্যালেঞ্জিং এলাকায় দায়িত্ব দেওয়া—আফতাব উদ্দিনের যোগ্যতার প্রতি কমিশনার সাহেবের সবচেয়ে বড় স্বীকৃতি।
কমিশনার হাসিব আজিজ—মানবিক কঠোরতার এক অনন্য সমন্বয়-চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আজ যে নতুন গতিতে কাজ করছে—তার কেন্দ্রে রয়েছে হাসিব আজিজের বৈজ্ঞানিক ও মানবিক নেতৃত্ব। প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ,দমন,
অফিসারদের নিয়মিত ব্রিফিং, জনবান্ধব পুলিশিং,সততা ও জবাবদিহিতায় জিরো টলারেন্স
মাঠপর্যায়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত,তিনি অফিসারদের মনে করিয়ে দেন—“জনসেবা পুলিশের প্রথম কর্তব্য। সৎ থাকুন, কঠোর হন, মানবিক হন।”ওসি আফতাব উদ্দিন—নেতৃত্বের প্রতি অটল দায়িত্ববোধ-
বন্দর থানা ছাড়ার আগে তিনি বলেন—
“স্যারের নির্দেশই আমার শক্তি। নতুন দায়িত্বে আরও নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করবো—ইনশাআল্লাহ।”
এই আত্মবিশ্বাসই প্রমাণ করে—তিনি শুধু একজন অফিসার নন, তিনি নেতৃত্বের প্রতি বিশ্বস্ত এক সৈনিক।
চট্টগ্রামের ভবিষ্যৎ—শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের পথে-কমিশনার হাসিব আজিজের নিরাপত্তা নীতি আজ আরও দৃঢ়—“জনসেবায় নিবেদিত, প্রযুক্তিনির্ভর, সৎ ও প্রস্তুত পুলিশ বাহিনীই অপরাধমুক্ত চট্টগ্রামের ভিত্তি।”এই নীতির কেন্দ্রবিন্দুতেই এখন নতুন করে যুক্ত হলো ওসি আফতাব উদ্দিনের বাকলিয়া অধ্যায়। চট্টগ্রামবাসী তাই নতুন করে আশা করতে পারে।